Loading...
উত্তরকাল > বিস্তারিত > শিল্প ও সাহিত্য > সমতোষ রায়ের তিন কবিতা

সমতোষ রায়ের তিন কবিতা

পড়তে পারবেন < 1 মিনিটে

অপভূপর্বের গল্প-প্রথম

কাঁটাতার জোড়া দিতে বেলা বয়ে গেলে রাতকানা চোখ দেখে না কিছুই, ফুরিয়ে যাবার আগে একবার জ্বলে— পুরোনো ধারাপাত পুড়িয়ে দেবার ইচ্ছে আছে, ওদিকে ওপারে যে রামপুরুষ আছেন তিনি এটা জানেন, তিনি এটাও জানেন— সুন্দর ঘুমালেই অসুন্দর জেগে ওঠে কিন্তু অসুন্দর না মরা অবধি জন্ম নেয় না একটা সুন্দর…

অপভূপর্বের গল্প-দ্বিতীয়

সুন্দর-স্বর্গ মন ধরে নিয়ে এলো ওপরে, কালোক্ষত কালোনিশি তখনো কালোজলতের সুনিম্ন এক স্তরে আদিম ক্ষুধার মতো জাগ্রত, সুন্দর-স্বর্গ জানে না অজান্তেই কী করেছে, কাকে কালোজলতল থেকে তুলে ভাসিয়েছে!

একজোড়া উল্টো নৌকোর নিচে— একজোড়া চঞ্চল হরিণী, একজোড়া হরিণ ঘোরে পড়ে ঘোড়া হয়ে— ছুটছে সেই হরিণীদ্বয়ের পিছে…

জীবনের মতোই ভেসে থাকারও মেয়াদ থাকে, জানে না যা কালোজলতলের বোকা-বধির, একটু পরেই সুন্দর-স্বর্গ পেন্ডুলামের মতো— জ্যোতিষরেখা দুলিয়ে জানাবে বিদায়, তখনো সুন্দর-স্বর্গ সুন্দরেই থাকবে আর বোকা-বধির বরফশীতল শব হয়ে কালোজলতলের সুনিম্ন এক স্তরে কালোক্ষত কালোনিশি যেখানে আদিম ক্ষুধার মতো জাগ্রত…

অপভূপর্বের গল্পতৃতীয়

একটি মুখ— শান্ত দিঘিতে ফোটা পদ্ম, পেছনে আরেকটি মুখ— বিক্ষুব্ধ সাগরে হালহারা পালছেঁড়া নৌকো, মাঝখানে অন্তহীন অগোছালো ঝাঁঝালো ঝাঁকড়া অন্ধকার…

কৃত্রিম সৌরভ সস্তা ভীষণ ক্রমশ আসছে ভেসে, ক্রমশ বাড়ছে তাতে সাগরের বিক্ষুব্ধতা আর নৌকোর বেগতিক দশা! পদ্ম কিছু বোঝে কি না, সাগর জানে না, নৌকো জানে না…

ক্রমশ হচ্ছে মাতাল নৌকোসমেত সাগর, এক অবর্ণনীয় উন্মাতাল অবস্থা! পদ্ম কি এসব কিছুই জানছে না! হঠাৎ মেঘের মতো ভেজা শীতল নরম ভূমিজ ঘ্রাণের সন্ধান পেলো নৌকো, তখন সে শান্ত দিঘিতে চঞ্চল ভ্রমর… সাগর কিন্তু তখনো বিক্ষুব্ধ…

সবশেষ আপডেট

উত্তরকাল

বিশ্বকে জানুন বাংলায়

All original content on these pages is fingerprinted and certified by Digiprove
%d bloggers like this: