।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ইরান সমর্থিত ইরাকি বিক্ষোভকারীদের হামলার ঘটনায় ইরানকে ‘বড় মাসুল’ দিতে হবে বলে ‘হুমকি’ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জবাবে ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, ইরান ‘আতঙ্কিত’ নয়। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, বুধবার (১ জানুয়ারি) রাজধানী তেহরানে এক অনুষ্ঠানে ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, ইরাকের এ হামলার সঙ্গে ইরানের কোনো সম্পর্ক নেই। যদি ইরান কোনো দেশকে মোকাবিলা করতে চায়, তবে তা খোলাখুলিই করবে। সবার এটা মনে রাখা উচিৎ, আমরা দেশের স্বার্থে কাজ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। যারা দেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠবে, তাদের মোকাবিলা করতে দ্বিধা করবে না ইরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া যুদ্ধের প্ররোচনার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। বিবৃতিতে তারা জানায়, ইরাক একটি স্বাধীন দেশ। সেখানে যা হচ্ছে, তা শুধুই ইরাকের ব্যাপার। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) ইরান সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়া ‘কাতাইব হিজবুল্লাহ’র ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায় মার্কিন সেনারা। এতে অন্তত ২৫ যোদ্ধা নিহত ও ৫৫ জন আহত হয়। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বাগদাদে নিহত যোদ্ধাদের দাফন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা।

এ হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। হামলার পর নতুন বছরের শুরুতে এক টুইটে ট্রাম্প বলেন, সব প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে ইরানকে। এর জন্য তাদের ‘বড় মাসুল’ দিতে হবে। এটা কোনো সতর্কবার্তা নয়, এটা হুমকি।

এছাড়া, পরবর্তীকালে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কোনো যুদ্ধে যাবে কি-না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমি কি এটা চাই? না। আমি শান্তি চাই। আমি শান্তি পছন্দ করি। ইরানেরও শান্তিই চাওয়া উচিৎ। যুদ্ধের কোনো সম্ভাবনা আমি দেখি না।