Loading...
উত্তরকাল > বিস্তারিত > শোবিজ > নিজেকে কম্পোজার মনে করি, একটা সেন্সে এনার্কিস্ট: রোদ্দূর রায়

নিজেকে কম্পোজার মনে করি, একটা সেন্সে এনার্কিস্ট: রোদ্দূর রায়

পড়তে পারবেন 2 মিনিটে

।। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, কলকাতা ।।

নিজেকে একজন কম্পোজার বলে মনে করেন তিনি। আর একটা সেন্সে নিজেকে এনার্কিস্ট বলে ভাবেন। প্রতিষ্ঠানের এতোটাই ঘোরতর বিরোধী যে, ব্যাকরণটাকেও সেই সারিতে ফেলেন তিনি। নিজের নামটা ‘রোদ্দুর’ না লিখে লিখছেন ‘রোদ্দূর’। বলছিলাম রোদ্দূর রায়ের কথা। সেই রোদ্দূর রায়, যিনি ইউটিউবের কল্যাণে ভিন্ন ধাঁচে রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে আলোচিত, সম্যক বিতর্কিত।

সম্প্রতি ইন্ডিয়ার এক্সপ্রেস তার এক সাক্ষাৎকার নিয়েছে, যেখানে তিনি মেলে ধরেছেন নিজেকে। না, ইউটিউবের গানের জন্য নয়। আইই তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে, কারণ সপ্তর্ষী থেকে শুক্রবার বেরুচ্ছে তার প্রথম উপন্যাস “মোক্সা রেনেসাঁ”। সে কারণেই আলাপচারিতা। আর সেখানে অবধারিতভাবে এসে গেছে তার আর সব কথাবার্তা।

শুরুর দিকেই সেখানে রোদ্দূর একহাত নিয়ে ছেড়েছেন প্রতিষ্ঠানকে। বলেছেন, “ব্যাকরণ মায়ের ভোগে যাক। ব্যাকরণ একটা ইনস্টিটিউশন। যে প্রতিষ্ঠান ক্রীতদাস বানানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠান সবসময়ে চেয়েছে কিছু মানুষকে ক্রীতদাস বানাতে। আমি এই প্রতিষ্ঠানের বিরোধিতা করি। এই অর্থে নয় যে প্রতিষ্ঠানে বোম মারো, এই অর্থে যে মানবতাকে মুক্ত করতে দাও। মানবতা যদি মুক্ত হয়, তাহলে প্রাতিষ্ঠানিক যে দৃষ্টিভঙ্গি একটা মানুষকে একটা নির্দিষ্ট তকমায় বেঁধে দেওয়ার বা একটা নির্দিষ্ট ডেজিগনেশনে বেঁধে দেওয়ার চেষ্টা। এ গান জানে, এ জানে না, এ ছবি আঁকতে জানে বা জানে না, সে কথা কে বলে দিতে পারে?”

সাক্ষাৎকারগ্রহীতা তপন দাস যখন জানতে চাইলেন রোদ্দূর এনার্কিস্ট কি না, তখন তার জবাব, “হতে পারে। (অট্টহাস্য) আমি এখনও খুব ভেবে দেখিনি যে একজ্যাক্টলি নিজেকে আমি অ্যানার্কিস্ট বলতে পারব কিনা। অ্যানার্কির অনেকগুলো সেন্স আছে বলে আমার মনে হয়। সেখানে একটা সেন্সে, হয়ত তাই। আমি প্রতিষ্ঠানকে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছি বলে আমার মনে হয়নি। আমি মানবাধিকারকে এসট্যাবলিশ করার চেষ্টা করছি, যা আমাদের সমাজে নেই। সারা পৃথিবীতেই মানবাধিকারের যাকে বলে গাঁ.. মারা গিয়াছে। তো আমি সে ব্যাপারে কাজ করছি। আমি আরও বেশি মানবাধিকার কী ভাবে পাওয়া যায় তার চেষ্টা করছি। রাজতন্ত্রতে মানবাধিকার ছিল না, গণতন্ত্রতেও আসেনি, আমরা যদি এবার নতুন একটা মডেলের খোঁজ করি, একজন একা মানুষ মডেল তৈরি করছেন এটা তো হয় না। কিন্তু নিজেকে এক্সপ্রেস করছেন প্রত্যেক মানুষ হতে পারে। আমি নিজেকে প্রকাশ করার চেষ্টা করছি। এবার সেটা অ্যানার্কিজম, না নিহিলিজম না অন্য কিছু, সেটা সময় বলবে। আমি এখনও কোনও তকমা আমার ওপর লাগানোর চেষ্টা করছি না তার কারণ আমি সেটা তত জরুরি বলে মনে করছি না। আমি একজন নাগরিক, আমি কিছু কাণ্ড করছি, যেটা আমার করতে ইচ্ছে করছে। আমার বিশ্বাস এই স্বাধীনতাটুকু আমার প্রাপ্য, যেখানে আমি আমার ইচ্ছানুসারে যা করতে ইচ্ছে করছে, তাই করতে পারি। সকলেরই এই স্বাধীনতা প্রাপ্য।”

ছাত্রজীবন থেকেই নিজেকে ভিন্নভাবে প্রকাশের কথা তুলে ধরে রোদ্দূর বলেন, “ তখন থেকে আমি বিচিত্র সুরে রবীন্দ্রসংগীত গাই। তখন থেকেই নিজস্ব কম্পোজিশনে গাই, নিজেকে একজন কম্পোজার বলে মনে করি। তাতে আমি ইম্প্রোভাইজ করে গেছি। কবিতা লেখা এবং গান কম্পোজ করা বা যা কিছু যা এসেছে, যেমন নৃত্য।”

রোদ্দূরকে নিয়ে আরও জানতে চান। তাহলে সোজা এখানে ক্লিক করে আইই’র সাক্ষাৎকারটা পড়ে আসুন।

সবশেষ আপডেট

উত্তরকাল

বিশ্বকে জানুন বাংলায়

All original content on these pages is fingerprinted and certified by Digiprove
%d bloggers like this: