।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

আগামী ৩০ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। পুরো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। ওইদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে রোববার (২২ ডিসেম্বর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

তিনি বলেন, মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার), মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার)। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার)। প্রতীক বরাদ্দ ১০ জানুয়ারি (শুক্রবার)। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ জানুয়ারি।

২০১৫ সালে ঢাকার দুই বিভক্ত সিটির প্রথমবার ভোট হয়েছিল ২৮ এপ্রিল, ওই দিনটি ছিল মঙ্গলবার। আর উত্তরের মেয়র আনিসুক হক মারা গেলে উপ-নির্বাচন হয়েছিল চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি, দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার। ২০২০ সালের জানুয়ারির ৩০ তারিখ বৃহস্পতিবার। ৩১ জানুয়ারি শুক্রবার। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি/সমমান পরীক্ষা রয়েছে। এক্ষেত্রে ৩১ জানুয়ারি ইসির পক্ষে সম্ভব নয়।

ডিএনসিসিতে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র আছে ১ হাজার ৩১৮টি। ভোটকক্ষ আছে ৭ হাজার ৮৪৪টি ভোটকক্ষ রয়েছে। সম্ভাব্য ভোটার সংখ্যা ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ৬২১ জন।

ডিএসসিসিতে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র আছে ১ হাজার ১৫০টি। আর ভোটকক্ষ আছে ৬ হাজার ৬২২টি। এ সিটিতে সম্ভাব্য ভোটার ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ৮৮৬ জন।

নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বাস্তবায়ন করছে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ।

এ বিভাগের অফিসার ইনচার্জ স্কোয়াড্রন লিডার কাজী আশিকুজ্জামান বলেন, প্রায় ১৪ হাজার ৪৬৬টি ভোটকক্ষের জন্য ২০ হাজার ইভিএম প্রস্তুত রাখা হবে। আর প্রতি কেন্দ্রে এক করে সেনা সদস্য রাখা হলেও লোকবল লাগবে প্রায় ২ হাজার ৫শ জনের মতো।