Loading...
পড়তে পারবেন < 1 মিনিটে

রেফ্রিজারেটর

ফ্রিজ খুলতেই বরফ শীতলতা পেঙ্গুইন বানিয়ে দেয়—  হাঁটতে থাকি ডিপ ফ্রিজের গভীরে। ইলশে গন্ধে পদ্মায় সাঁতরাই— সম্বিত ফিরে পেলে মাংসের গন্ধ লাগে। চোখের সামনে সুন্দরবন— দেয়ালে টাঙানো বাঘের ছবি, বিল ওয়াইল্ড কাঁচা মাংসে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলে।

বরফ কুচির প্লানচেটে মদের দোকান, ফ্রিজকে কফিন মনে হয়। একটু আগেই মরে গিয়েছি— রাখা হয়েছে হিমঘরে। মনে নেই কিছু, রেফ্রিজারেটর ব্যতীত কোনো আসবাবপত্র ছিলো। হিসেবটা সহজ— স্বপ্ন দেখছি। না! ভুল বলছি— ম—ম করছে গোলাপজল গন্ধ।

কপিস শূকরের গোশতের সঙ্গে রান্না হচ্ছে সেই ঘ্রাণ— মূলত ফ্রিজে রাখা কোনো পণ্যে গন্ধ থাকে না, মৃত আমি বলতে পারি না মৃতের শখ।

কমপ্লেইন

[তুহিন, আমার মামা বন্ধু]

সূর্যের পিঠ গরম না হতেই উল্টে যায় শামুক, কর্কটক্রান্তি বরাবর ওড়ে গাঙচিল। ঠোঁটে মাছপুরে পানকৌড়ি নিয়ে আসে বিচ্ছিন্ন সব কমপ্লেইন। পিঁপড়ের মুখ ফেটে ঢুকে যাই কুমিরের পেটে, তা দেখে গড়াগড়ি খায় পৌষের কুকুর। পেঁচার গোল চোখ গর্ত করে দাঁড়কাক— অভিযোগপত্র পড়ে—

কমপ্লেইন ১. আজকাল ফোন বন্ধ থাকে

কমপ্লেইন ২. কোথাও হারিয়ে গেছি কচ্ছপের কোঠরে…

এভাবে দীর্ঘ হতে থাকে তালিকা— কে—টু পাহাড়ে বরফ জমে, বুক পকেটে খোঁচা মারে অভিমানী শকুন। শকুনের চোখে খসে পরে পাঙুরে রস, কৈশোর এসে উড়ে যায় তামাবিলের দিকে…

রাইচ মিল

[মুজিব ইরমকে]

আহা কী সুন্দর ভোর! আসমান থাই নামি আইচে চকচকা দিন, গাও ঠান্ডা করি দিচে মৃদু সমীরণ। মুই রবি কিইবা কই, মুজিব ইরম মোরে গোত্রঋণ করে। আউশ ক্ষেতের আইলে বসি— বিহান ব্যালা জাগের গান ধরে, চোকে কাটে না ঘোর। ঘোরের মইদ্যে বেটি মাইনসের মুখ দেহি, চান্দের লাহান হাসে— শাড়ির আঁচল ঢেউ খেলিয়া, ধান গাছেতে ভাসে।

কে বিছায়াছে কলাপাতার রঙ, আহ্লাদে মন সাঁতার কাটে— দেহের ভেত্রে ঢঙ। সঙ সাজিয়া ব্যালা ওঠে, ডক সুন্দর আলো! আলো আলো করি নাচে ঘরের বিবিজন— দূর থাকি হাসি কয়, রাইচ মিলত হামাক বন্দক থোন!

সবশেষ আপডেট

উত্তরকাল

বিশ্বকে জানুন বাংলায়

All original content on these pages is fingerprinted and certified by Digiprove
%d bloggers like this: