।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

শুরুর মতো শেষেও আঘাত করলেন ক্রিস ওকস। মাঝের সময়ে আদিল রশিদের স্পিন ছোবলে কুপোকাত অস্ট্রেলিয়া। ইংল্যান্ড বোলারদের দাপটের দিনে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে গেলেন স্টিভেন স্মিথ। বিপদের সময় সাবেক এই অধিনায়ক খেলেছেন ৮৫ রানের কার্যকরী ইনিংস। তার হাফসেঞ্চুরির সঙ্গে অ্যালেক্স ক্যারির প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়া ৪৯ ওভারে অলআউট হয়েছে ২২৩ রানে।

ওকসের পেস ঝড়ে মাত্র ১৪ ‍রান তুললে অস্ট্রেলিয়া হারায় ৩ উইকেট। সেখান ‍থেকে শুরু স্মিথ-ক্যারির প্রতিরোধ। ‍চতুর্থ উইকেটে তাদের গড়া ১০৩ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু রশিদ এক ওভারে ক্যারি (৪৬) ও মার্কাস স্টোইনিসকে (০) ফেরালে আবার বিপদে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। সেটা ‍আরও বাড়ে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের (২২) বিদায়ে।

তবে বিপদের মুহূর্তে একপ্রান্ত আগলে রেখে অসাধারণ এক ইনিংস খেলে গেছেন স্মিথ। ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে পূরণ করেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ২৩তম হাফসেঞ্চুরি। যোগ্য সঙ্গ পেয়েছেন মিচেল স্টার্কের কাছ থেকে। অষ্টম উইকেটে গড়েন তারা ৫১ রানের জুটি। যাতে আরেকটু ভালো সংগ্রহের সম্ভাবনা তৈরি হয়। কিন্তু জস বাটলারের অসাধারণ থ্রো তা হতে দেয়নি!

ইংলিশ উইকেটরক্ষকের সরাসরি থ্রোতে রান আউট হয়ে ফিরতে হয় স্মিথকে। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ১১৯ বলে করে যান ৮৫ রান। ধৈর্যশীল ইনিংসটি তিনি সাজান ৬ বাউন্ডারিতে। তার আউটের পরের বলেই ওকসের শিকার হয়ে ফিরে যান ২৯ রান করা স্টার্ক। এরপর মার্ক উড শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে জেসন বেহরেনডর্ফকে তুলে নিলে অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। নাথান লায়ন অপরাজিত থাকেন ৫ রানে।

ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল বোলার ওকস। এই পেসার ৮ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট। তার মতো ৩ উইকেট পেয়েছেন স্পিনার রশিদও। ৩২ রান দিয়ে জোফরা আর্চারের শিকার ২ উইকেট।