।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

আবারও ইরানের ওপর বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারির কথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেছেন, ইরান তাদের আচরণ পরিবর্তন না করলে অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত থাকবে। পরে এক টুইটার মন্তব্যে তিনি সোমবার থেকে নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের কথা জানান।

সম্প্রতি ওয়াশিংটন-তেহরান ধারাবাহিক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয়েছে অস্থিরতা। কয়েকদিন আগেই মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১ হাজার মার্কিন সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরইমধ্যে বৃহস্পতিবার ইরানে ‘আরকিউ-৪ গ্লোবাল হক নামের একটি ড্রোন ভূপাতিত করার খবার পাওয়া গেছে যার প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দিয়েও তা প্রত্যাহার করে নেন। জানান, যুদ্ধবিরোধী মনোভাব থেকে তিনি আলোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, আমরা আরও নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছি। কিছু ক্ষেত্রে আমরা খুব দ্রুত কাজ করার চেষ্টা করছি।

সম্প্রতি ইরান ঘোষণা দেয় পরমাণু পরীক্ষার ক্ষেত্রে তারা আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত মাত্রার চেয়ে বেশি কাজ করবে। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে পরমাণু নিয়ন্ত্রণবিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে ইরান। বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু গত বছর ইউরোপীয় মিত্রদের বাধা সত্ত্বেও ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে ইরানের ওপর তেল রফতানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে একের পর এক অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান যদি একটি উন্নত দেশ হতে চায়, আমার কোনও আপত্তি নেই। তবে যদি পরমাণু অস্ত্র রাখে তবে তারা আগামী চার-পাঁচ বছরেও এটা করতে পারবে না। এরপর তিনি ২০১৬ সালে নিজের প্রচারণা স্লোগানের মতো করে বলেন, লেটস মেক ইরান গ্রেট এগেই।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের পর এক টুইটে ট্রাম্প বলেন, সোমবার থেকে ইরানের ওপর নতুন করে  নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে যাচ্ছে।

Digiprove sealCopyright protected by Digiprove © 2019
Acknowledgements: বাংলাট্রিবিউন
All Rights Reserved