।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি দেখে ইনডোরে গা গরম পর্ব সেরে নিল দল। খানিক পরই রোদ। সূর্যের হাসি দেখে ক্রিকেটাররাও নামলেন মাঠে। ফিল্ডিং অনুশীলন শুরু হতে না হতেই আকাশের মুখ গোমড়া। সবাই তাতে বেশ বেজার। একটু পর আবার শুরু হলো বৃষ্টি! ড্রেসিং রুমে ফিরতে ফিরতে মাহমুদউল্লাহ বলছিলেন, কী বিরক্তিকর আবহাওয়া।

রোদ-মেঘ-বৃষ্টির লুকোচুরির মধ্যেই সমারসেট কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ দলের অনুশীলন। বুধবার টনটনে আসার পর শুক্রবারই প্রথম অনুশীলন করলো দল। এ দিন অবশ্য ছিল ঐচ্ছিক অনুশীলন। মাঠে আসেননি সাকিব আল হাসান, রুবেল হোসেন ও মোসাদ্দেক হোসেন।

 দুই দিন বিশ্রামের পর বাকিরা এসেছেন মাঠে। আবহাওয়া খুব উপযোগী না থাকলেও তাই মাঠ ছাড়েনি দল। ফিল্ডিং অনুশীলন চলল টিপটিপ বৃষ্টির মধ্যেই। অনুশীলন শুরুর আগে অবশ্য খানিকটা ক্রিকেট শেখানোর কাজ করতে হয়েছে ক্রিকেটারদের কয়েকজনকে! আইসিসি ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে ‘ওয়ান ডে ফর ক্রিকেট’প্রোগ্রামের আওতায় ছিল ‘কমিউনিটি ক্রিকেট ক্লিনিক’আয়োজন। স্থানীয় শিশুদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলেছেন ও শিখিয়েছেন মুশফিকুর রহিম, সাইফ উদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান, সৌম্য সরকার ও মোহাম্মদ মিঠুন। বৃষ্টির কারণে সেই আয়োজনও ছিল ইনডোরে।

 ব্যাটিং-বোলিং অনুশীলন করতে পারা নিয়ে শঙ্কা ছিল। শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির চোখ রাঙানির মধ্যে নেট সেশনও শেষ পর্যন্ত হলো কিছুটা। দুই দিনের ছুটি শেষে ব্যাটিং অনুশীলনের জন্য মরিয়া ছিলেন তামিম ইকবাল। বৃষ্টি ছুট দিতেই তিনি ছুটলেন ড্রেসিং রুমে, প্রস্তুত হয়ে সোজা নেটে। আবার বৃষ্টি আসার আগে যতটা ব্যাট করা যায়।

 এক যুগের ক্যারিয়ারে আগে বেশ কবার ইংল্যান্ডে এসেছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। আবহাওয়ার অনিশ্চিত চরিত্র এবারের মতো নাকি আর দেখেননি। ইংলিশ আবাহাওয়া কাকে বলে, এবার ভালোভাবে বুঝতে পারছি। এই কিছুক্ষণের মধ্যে দেখেন, রোদ-বৃষ্টি, শীত-গরম, সব পেয়ে গেলাম। বোঝাই মুশকিল কখন কী হচ্ছে।

 হালকা বৃষ্টি হানা দিয়েছে এরপরও। সেসব উপেক্ষা করেই চলেছে অনুশীলন। শনি ও রোববারের সূচিতে আছে গোটা দলের অনুশীলন। তবে এই দুই দিনও আছে বৃষ্টির শঙ্কা। সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচের দিন অবশ্য বৃষ্টির শঙ্কা খুব বেশি নেই এখনও পর্যন্ত। তবে ইংল্যান্ডের আবহাওয়া, শেষ কথা বলে কিছু নেই।