সিকো কার্যকরে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ভূমিকার প্রশংসা

।। জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, রাজশাহী ।।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ইন্দোনেশিয়া কাজ করছে উল্লেখ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত সেদেশের রাষ্ট্রদূত রিনা পি সোমারনো বলেছেন, রোহিঙ্গা সম্যসা পুরোপুরিভারে সমাধানের জন্য আঞ্চলিক এবং আর্ন্তজাতিক ফোরামে কুটনৈতিক প্রচেষ্টা ও চিঠিপত্র আদান প্রদান করছে তার দেশ। 

তিনি বলেন, “রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য ইন্দোনেশিয়া যথেস্ট সচেষ্ট। একই সাথে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা করার জন্য একটি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টিতে তার দেশ কাজ করছে, যা চলমান থাকবে।”

ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, “রোহিঙ্গা বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার নিকট বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সর্ম্পক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেকারণে এই ইস্যুতে শুরু থেকেই তারা ভুমিকা রাখছে।”

তিনি জানান, ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী বিগত সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করেন এবং কীভাবে  ইন্দোনেশিয়া সহযোগিতা করতে পারে সেবিষয়ে আলোচনা হয়। এরপর তারা জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবাধিকার কর্মী এবং স্বাস্থ্য সহায়তা প্রেরণ করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের সাথে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

রিনা পি সোমারনো সাউথ ইস্ট এশিয়ান কো-অপারেশন ফাউন্ডেশন (সিকো) প্রসঙ্গে বলেন, সিকোর রাষ্ট্রসমুহ অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নিজেদের মধ্যে একসাথে কাজ করে। দীর্ঘদিন এটি অকার্যকর থাকলেও সম্প্রতি বাংলাদেশ এটি কার্যকর করতে উদ্যোগী হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া সরকার এই উদ্যোগকে বেসরকারি খাতের বাণ্যিজের একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করছে।

তিনি  জানান, চলতি মাসে সিকোর সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং আশা করা হচ্ছে উদ্যোগ সফল হবে। এই পদক্ষেপের ফলে ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন এবং রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ঘটবে।

উল্লেখ্য, ব্যাবসায়ীদের মধ্যে পারষ্পারিক সর্ম্পক বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনেই এবং মালদ্বীপ নিয়ে সিকো গঠিত।