।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল শহীদ আফ্রিদির। জীবনের দ্বিতীয় ম্যাচে নেমেই ৩৭ বলে সেঞ্চুরি করে আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছিলেন তিনি। কনিষ্ঠতম ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ক্রিকেটে শতরানের রেকর্ডটি এতদিন তাঁরই দখলে। কিন্তু আত্মজীবনী গেমচেঞ্জার -এ আসল বয়স ফাঁস হতেই বিপদে পড়ে গেলেন আফ্রিদি। অনুমান করা হচ্ছে, বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা ওঈঈ কেড়ে নিতে পারে আফ্রিদির একাধিক রেকর্ড।

আত্মজীবনী ‘গেম চেঞ্জার’-এ আফ্রিদি জানিয়েছেন, ৩৭ বলে সেঞ্চুরি তিনি ১৬ বছর বয়সে করেননি। করেছিলেন আসলে ২১ বছর বয়সে। আফ্রিদি আরও জানিয়েছেন, তিনি যখন পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব ১৯ দলে খেলেন তখন তাঁর বয়স ছিল ১৯’র বেশি। অর্থাৎ পাসপোর্ট অনুযায়ী তাঁর জন্মতারিখ ১ মার্চ ১৯৮০ আর ‘গেম চেঞ্জার’-এ তাঁর জন্মসাল ১৯৭৫। পাঁচ বছরের ব্যবধান পাসপোর্ট এবং আত্মজীবনীর মধ্যে। ফলে বেশ কয়েকটি রেকর্ড হাতছাড়া হতে পারে আফ্রিদির। 

১৯৯৬ সালে নাইরোবিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৩৭ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন আফ্রিদি। পাসপোর্ট অনুযায়ী, তখন তাঁর বয়স ছিল ১৬ বছর ২১৭ দিন। কনিষ্ঠতম ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ক্রিকেটে শতরানের এই রেকর্ড করেছিলেন আফ্রিদি। এই রেকর্ডটি আর আফ্রিদির থাকবে না। চলে যাবে আফগানিস্তানের ওপেনার উসমান গনির দখলে। ২০১৪ সালে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ১৭ বছর ২৪২ দিন বয়সে সেঞ্চুরি করেছিলেন গনি।

১৯৯৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ওই সেঞ্চুরি করে একদিনের ক্রিকেটে কনিষ্ঠতম (১৬ বছর ২১৭ দিন) ক্রিকেটার হিসেবে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন আফ্রিদি। বয়স চুরির পর এবার, ১৬ বছর ২৫২ দিন বয়সে ম্যাচের সেরা হওয়া আফগান স্পিনার মুজিব উর রহমানের দখলে চলে যাবে রেকর্ডটি।

এ ছাড়া সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে এক হাজার, ২ হাজার এবং ৩ হাজার রানের মাইলস্টোন গড়ার যে রেকর্ড আফ্রিদির দখলে ছিল সেটাও এবার হাতছাড়া হবে। যদি তাঁর জন্মসাল ১৯৭৫ হয়, ‘গেম চেঞ্জার’ অনুযায়ী।

Berger Viracare