।। নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী ।।   

সুপার সাইক্লোন ফণির কারণে সারাদেশের মতো রাজশাহীতেও শুক্রবার সকাল থেকে কখনো মাঝারি, কখনো ভারী আকারে বৃষ্টিপাত শুরু হয়; সেইসঙ্গে ঝড়ো হাওয়া। দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাণহানির খবর পাওয়া গেলেও রাজশাহীতে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে দুর্যোগটির কারণে মাঠে থাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হতে চলেছে বলছেন স্থানীয় কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ দুর্যোগটির আগাম খবর পাওয়ার পর থেকেই কৃষকদের জমির ধান ৮০ শতাংশ পাকলেই কেটে নিতে বলে। তবে শ্রমিক সংকটসহ জমির সব ধান না পাকায় কৃষকরা তাদের জমির ধান কেটে ঘরে তুলতে পারেননি।

তানোর উপজেলার কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, সাড়ে ছয় বিঘা জমিতে তিনি ধান চাষ করেছেন। তবে গত ২৪ ঘন্টার বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে জমিতে থাকা ধান মাটিতে শুয়ে গেছে। এখন এই ধান কাটাই কঠিন হবে। অনেক ধান নষ্ট হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন এই কৃষক।

বাগমারা এলাকার কৃষক নিজাম উদ্দিন বলেন, কৃষি বিভাগের সতর্কবার্তা পাওয়ার কিছু জমির ধান কাটা সম্ভব হয়েছে। তবে শ্রমিক সংকটের কারণে তিনি জমির সব ধান কাটতে না পারায় বাতাস ও বৃষ্টির কারণে সেই ধানগুলো শুয়ে পড়েছে। তার জমির মতো প্রায় সকল কৃষকদের জমির ধান দুর্যোগটির কারণে একই ভাবে শুয়ে পড়েছে। ঘূর্ণিঝড় ফণির প্রভাবে ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টির কারণে মাঠের পাকা ধান ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এই কৃষকও।

তবে তানোর উপজেলা কৃষি অফিসার শফিকুল ইসলাম জানান, ঘূর্ণিঝড় ফণির প্রভাবে ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি হওয়ায় ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়লেও ক্ষতি হবে না। জমিতে রোদ পড়লে ধানগুলো ফিরে আসতে পারে।