Zee5 Contract Coming Soon

।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর যেসব এলাকায় বা জমির বোরোধান ৮০ শতাংশের বেশি পেকে গেছে সেগুলো দ্রুত কেটে ফেলতে বলা হয়েছে কৃষি বিষয়ক আবহাওয়া বার্তায়। কারণ ফণির প্রভাবে এসব এলাকায় তীব্র বেগে বাতাস ও টানা চারদিন ধরে প্রচুর বৃষ্টি হতে পারে। এতে করে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   

কৃষি বিষয়ক আবহাওয়া বার্তায় কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে দেয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শুধু ধানই নয়, পরিপক্ক মিষ্টি কুমড়া, মরিচ, কাউন, চিনাবাদাম, রবি ভুট্টা ও বিভিন্ন শাক সবজি দ্রুত সংগ্রহ করে নিতে হবে। এসব এলাকায় ফণির প্রভাবে যে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে তাতে এসব ফসলের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি বা ঝড়ের সম্ভবনার সময় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে শুক্র থেকে সোমবার পর্যন্ত মোট চারদিন। 

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, উল্লিখিত সময়ে জমিতে সেচ, সার ও কীটনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে। পাশাপাশি সেচনালা পরিষ্কার রাখতে হবে যাতে করে ধানের জমিতে অতিরিক্ত পানি না জমে থাকে। যেসব ফসল কাটার উপযোগী নয় সেগুলোকে রক্ষা করে চারপাশে উচু বাধ দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। 

যেহেতু ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের সম্ভাবনা রয়েছে তাই এই মুহূর্তে বীজবপন ও চারা রোপন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। 

হঠাৎ বন্যা হতে পারে

কৃষি বার্তায় আরও বলা হয়েছে, দেশের উত্তর-পুর্বাঞ্চলের প্রধান নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় “ফণি”র প্রভাবে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল এবং তৎসংলগ্ন ভারতীয় অঞ্চল সমূহের কতিপয় স্থানে আগামী ৭২ ঘন্টায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
আগামী ৭২ ঘন্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং উত্তরাঞ্চলের প্রধান নদীসমূহের বিশেষত: সুরমা, কুশিয়ারা, কংস, যদুকাটা ও তিস্তা নদীর পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে এবং কোথাও কোথাও বিপদ সীমা অতিক্রম করে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে বলেও জানানো হয়।