।। নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ।।

বিশ্ব ডিএনএ দিবস উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) দুই দিনব্যাপী জাতীয় ডিএনএ সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সিনেট ভবনে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান।

‘ন্যাশনাল কনফারেন্স অন ডিএনএ অ্যান্ড জিনোম রিসার্চ ফর সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড হেলথ’ বিষয়ক এই সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা, উপ-উপাচার্য চৌধুরি মো. জাকারিয়া, টিএমএসএস এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. হোসনে আরা বানু, জীব ও ভূবিদ্যা অনুষদের অধিকর্তা অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ক্লাবের সদস্য, বিভিন্ন বিভাগের গবেষক, বিজ্ঞানী ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

সম্মেলনে কি-নোট স্পিকার হিসেবে ইন্সটিটিউট ফর ডেভলপিং সাইন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিসিয়েটিভস এর প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ড. ফেরদৌসী কাদরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ সালেহিন কাদরী, এ বছর স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত গবেষক ও বিজ্ঞানী ড. হাসিনা খান উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য এম আব্দুস সোবহান বলেন, বাংলাদেশ এখন সকল সূচকে এগিয়ে যাচ্ছে। কৃষিতে, চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা অনেক উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। এজন্য তরুণদেরকে উৎসাহ প্রদান করে গবেষণায় প্রণোদনা দিতে হবে। এ বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে আমাদের পক্ষ থেকে সাধ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।

টিএমএসএস এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বানু বলেন, গবেষণার দ্বারা জ্ঞান ও নতুন তথ্য আবিষ্কার হয়। এসব তথ্যের ভিত্তিতে আরো গবেষণা করে নতুন আবিষ্কার করা সম্ভব। তাই গবেষকদের সহযোগিতা করা প্রয়োজন। টিএমএসএস থেকে গবেষণা ও শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে কাজ করা হচ্ছে। দেশব্যাপী ৩৩টিরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। যেখানে আয়ুর্বেদিক, মেরিন, প্রকৌশল, নার্সিংসহ কর্মমুখী শিক্ষার সুযোগ করে দেয়া হয়। এভাবে টিএমএসএস থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়ার মাধ্যমে গবেষণা ও শিক্ষায় উৎসাহ প্রদান করা হয়।

এর আগে, অনুষ্ঠানে অতিথিদের ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বায়োইনফরমেটিক্স রিসার্চ গ্রুপের সভাপতি ড. মো. নুরুল হক মোল্লা স্বাগত বক্তব্য দেন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ২৩ জন গবেষক ও বিজ্ঞানী তাদের গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। গবেষকগণ টেকনিক্যাল সেশন, পোস্টার প্রেজেন্টেশন ও মৌখিক উপস্থাপন করেন। নবীণ গবেষকদের পোস্টার উপস্থাপন প্রতিযোগিতায় বাছাইকৃত সেরা গবেষকদের পুরষ্কৃত করা হয়।