Loading...
উত্তরকাল > বিস্তারিত > তারুণ্য > নারী নিপীড়নে অভিযুক্তকে প্রশ্রয় দিয়ে বিতর্কে আয়মান সাদিক

নারী নিপীড়নে অভিযুক্তকে প্রশ্রয় দিয়ে বিতর্কে আয়মান সাদিক

পড়তে পারবেন 2 মিনিটে

।। কনটেন্ট এডিটর, সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক ।।

নারী নিপীড়নের অভিযোগ ওঠার পরেও নিজেদের এক কর্মীকে বহাল রাখায় বিতর্কের মুখে পড়েছে সাম্প্রতিক সময়ের জনপ্রিয় ‘টেন মিনিট স্কুল’ ও এর প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক। সম্প্রতি এক নারী বিতার্কিক নিজের নিপীড়ন ও পরবর্তীতে তার বিচার চেয়ে প্রতিষ্ঠানে আবেদন করে পাওয়া ফলাফল নিয়ে নিজের ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিলে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়।

নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে গত রোববার ওই নারী বিতার্কিক জানান, ২০১৬ সালে এক বিতর্ক অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি এবং শাওন চৌধুরী নামের এক বিতার্কিক।

নারী বিতার্কিকের পোস্ট

স্কুল শিক্ষার্থীদের ওই বিতর্ক প্রতিযোগিতা চলাকালে শাওন চৌধুরী তার ওপর যৌন নিপীড়ন চালায় বলে ওই নারী জানান।

পরে আয়োজক ও বিতার্কিকদের সংগঠনের নেতাদের কাছে অভিযোগ করে বিচার পাননি। বরং শাওনকে সংগঠন থেকে দূরে রাখার ব্যাপারে তাকে আশ্বস্ত করা হলেও উল্টোটি ঘটানো হয়।

এরপর শাওন চৌধুরী ‘টেন মিনিট স্কুলে’ যোগ দিয়ে সেখানে ওই নারী বিতার্কিকের কয়েক বন্ধুর কাছে তিনি তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাতে শুরু করেন।

এমন প্রচারণার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি শাওনের অপকর্মের বিষয়ে ‘টেন মিনিট স্কুল’ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। বেশ কয়েকবারের চেষ্টার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নেয় এবং সেখানকার কর্মকর্তা সাকিব বিন রশিদকে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বিতার্কিকদের কয়েকজন এবং নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছিল যে অনুষ্ঠানে সেটির আয়োজকদের সহায়তায় তদন্ত শেষে আয়মান সাদিকের অবগতিতে ‘টেন মিনিট স্কুলে’র সব বিভাগের প্রধানদের এক বৈঠকে শাওনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তখন স্কুল কর্তৃপক্ষ শাওনকে তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত হয়।

ক্ষমা চেয়ে দেয়া আয়মান সাদিকের পোস্ট

কিন্তু এরপর আর অভিযুক্তকে বহিষ্কার করা হয়নি। এমনকি তদন্তে যৌন নিপীড়নকারী হিসেবে প্রমাণিত হওয়ার পরও স্কুলের নারী কর্মীদেরকে শাওনের ব্যাপারে সর্তক করা হয়নি- এমনটি দাবি ভুক্তভোগী নারী বিতার্কিকের। উল্টো আয়মান সাদিক তাকে প্রশ্রয় দিয়েছেন এবং তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে আগের মতোই চলেছেন।

ওই নারী আরো জানান, বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হওয়ার পরও শাওনের নামে নিজের একটি বই উৎসর্গ করেছেন আয়মান সাদিক।

অবশ্য ভুক্তভোগী নারী ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর গত সোমবার নিজের ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট করছেন আয়মান। ওই পোস্টে তার দাবি, পুরো বিষয়টিতে তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠান সঠিক ভূমিকা নিতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।

তবে ভবিষ্যতে আর এমনটি হবে না- সেই আশ্বাসও দিয়েছেন ‘টেন মিনিট স্কুলে’র এই প্রতিষ্ঠাতা।

সবশেষ আপডেট

উত্তরকাল

বিশ্বকে জানুন বাংলায়

All original content on these pages is fingerprinted and certified by Digiprove
%d bloggers like this: