।। বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন ।।

আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে অ্যাপের মাধ্যমে ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। বৃহস্পতিবার কমলাপুর স্টেশনে এক সভাশেষে তিনি এ কথা জানান। রেলমন্ত্রী বলেন, আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে অ্যাপে পাওয়া যাবে ট্রেনের টিকিট। ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি হবে অ্যাপের মাধ্যমে। টিকিটের দাম পরিশোধ করা যাবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমেও। বাকি টিকিট বিক্রি হবে স্টেশনের কাউন্টার থেকে। তিনি বলেন, ঈদযাত্রার আগাম টিকিটের ভিড় এড়াতে এবারের ঈদে কমলাপুরের বাইরেও বিক্রি হবে ট্রেনের টিকিট। ঈদের আগে ঢাকা-পঞ্চগড় রুটে নতুন ট্রেন চালু হবে। ঢাকা থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত বিরতিহীন চলবে এ ট্রেন। ঈদের পর বিরতিহীন ট্রেন চালু হবে ঢাকা-বেনাপোল রুটে।

মন্ত্রী বলেন, শিগগির তিনি সবাইকে নিয়ে একটি উন্মুক্ত গণশুনানি করবেন। সেখানে রেল সম্পর্কে যাত্রী ও সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ শুনবেন।

নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ৮০ শতাংশ যাত্রী পরিবহন হয় সড়কপথে। তিনি চেষ্টা করছেন রেলের ‘যৌবন’ ফিরিয়ে যাত্রী পরিবহন বাড়াতে। বর্তমানে রেলের ২৫ শতাংশ টিকিট বিক্রি হয় মোবাইল ও অনলাইনে। ১০ শতাংশ চলে যায় কোটায়। বাকিটা বিক্রি হয় কাউন্টার থেকে। সেখানে কালোবাজারি ও ভোগান্তির অভিযোগ রয়েছে।

রেলমন্ত্রী জানান, ২৮ এপ্রিল অ্যাপ চালু হলে কালোবাজারি বন্ধ হয়ে যাবে। টিকিট পেতে ভোগান্তিও থাকবে না। নুরুল ইসলাম সুজন আরও জানান, এবারের ঈদযাত্রায় কমলাপুর ছাড়াও বিমানবন্দর ও জয়দেবপুর স্টেশন থেকে আগাম টিকিট বিক্রি করা হবে। এ ছাড়া গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়ার পুরনো স্টেশন থেকে টিকিট বিক্রি হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা চলছে, যেন টিএসসি থেকেও টিকিট বিক্রি করা যায়। এ ছাড়া মিরপুরে পুলিশ কনভেশন সেন্টার থেকেও টিকিট বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছে। মোট ছয় জায়গা থেকে টিকিট বিক্রি হবে, যা আগে শুধু কমলাপুর থেকে হতো।

মন্ত্রী জানান, আগামী ২৬ এপ্রিল ঢাকা-রাজশাহী রুটে বিরতিহীন ট্রেন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেল সচিব মোফাজ্জেল হোসেন, রেলের মহাপরিচালক কাজী মো. রফিকুল আলম প্রমুখ।