।। সংবাদদাতা, বগুড়া ।।     

বগুড়ায় সন্ত্রাসীদের দুগ্রুপের গোলাগুলিতে রাফিদ আনাম (২৫) ওরফে স্বর্গ নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত ব্যক্তি বগুড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপশহরের ধুন্দাল সেতু এলাকায় নামাজগড়-ধরমপুর সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) সনাতন চক্রবর্তী।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত রাফিদ আনাম এলাকায় স্বর্গ নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তার বাবা বগুড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী লিয়াকত আলী ২০০৬ সালে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। কিশোর বয়সেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন রাফিদ। ১৮ বছর বয়সে ২০১২ সালে তিনি প্রথম হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর একাধিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন তিনি। মূলত ভাড়াটে খুনি হিসেবেই কাজ করতেন রাফিদ।

এএসপি সনাতন চক্রবর্তী জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপশহরের ধুন্দাল সেতুর কাছে দুই দল সন্ত্রাসীর মধ্যে গোলাগুলি চলছিল-এমন খবর পেয়ে টহল পুলিশের দল সেখানে যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ সেখানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখেন। গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে পুলিশ বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ নিহত ব্যক্তি রাফিদ আনাম বলে নিশ্চিত হন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, একটি গুলি ও একটি বর্মি চাকু উদ্ধার করা হয়। রাফিদ আনামের লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অবৈধ অস্ত্র রাখা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা ছিল বলেও জানান পুলিশের এই কর্তা।