।। রাজু আহমেদ, রাজশাহী ।।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. একেএম সফিউল ইসলাম লিলন হত্যামামলায় একাধিক আসামীর জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডে সহযোগী হিসেবে ‘জামাই বাবু’ নামের একজনের নাম আসে। তবে পুলিশি তদন্তে তাকে চিহ্নিত করাই সম্ভব হয়নি। অভিযোগপত্রে বিষয়টি তদন্তকারী কর্মকর্তা লিপিবদ্ধ করেন।

অভিযোগপত্রের ৬ নম্বর পাতায় বলা হয়, জামাই বাবু’র নাম এলেও তার সঠিক নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে পরিচয় পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানানো হয় সেখানে।

অভিযোগপত্রে ‘জামাই বাবু’ সংক্রান্ত ভাষ্য

যদিও মামলার বিচার কার্যক্রম চলাকালে আর সেই ‘জামাই বাবু’র কোনো হদিস বের করতে পারেনি পুলিশ। ফলে বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় আসেনি কথিত সেই হত্যার সহযোগী।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিলের প্রায় তিন বছর পর আদালত বিচার শেষে রায় ঘোষণা করেন।

নাসরিন খালাস

পুলিশি তদন্তে বলা হয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার নাসরিন আক্তার রেশমার সঙ্গে ড. শফিউল ইসলামের পূর্বের দ্বন্দ্বের জের ধরেই তার স্বামী ও যুবদল নেতা আব্দুস সামাদ পিন্টু তার দলীয় লোকেদের নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। বিষয়টি স্বীকার করে নাসরিন আক্তার আদালতে ১৯ মার্চ ২০১৫ সালে জবানবন্দিও দেন। সেই জবানবন্দির পরিপ্রেক্ষিতেই  ১১জনকে আসামী করে মামলা করা হয়।

পুলিশি তদন্তে সেই নাসরিনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালতের রায়ে তিনি খালাস পেয়ে যান।

[interaction id=”5cb43b379bdbaa4c232cf6cf”]