বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের পরবর্তী বৈঠক হবে ভিয়েতনামের হ্যানয়ে। চলতি মাসের ২৭ ফেব্রুয়ারি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

ট্রাম্প বলেন, আমি চেয়ারম্যান কিমের সঙ্গে দেখা করা ও শান্তি প্রচেষ্টা এগিয়ে নেয়ার প্রত্যাশায় আছি। পরবর্তীতে তিনি বলেন, কিমের নেতৃত্বে উত্তর কোরিয়া একটি বড় উৎপাদন শক্তিতে পরিণত হবে। তিনি হয়তো কাউকে কাউকে বিস্মীত করছেন কিন্তু আমাকে না। কারণ আমি তাকে জানি এবং তিনি কতটা সক্ষম তা বুঝি। উত্তর কোরিয়ার ভিন্নধর্মী একটি রকেটের মালিক হবে- তা হচ্ছে অর্থনীতি।

ট্রাম্প-কিমের বৈঠক কোথায় হবে তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার মধ্যে হ্যানয় ও ডা ন্যাংয়ের কথা সবার সামনে চলে আসে। আলোচনার স্থান নির্ধরণে সামান্য ছাড় দিতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে। উত্তর কোরিয়া হ্যানয়কে পছন্দ করেছে, কারণ এখানে তাদের দূতাবাস রয়েছে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দ ছিল ড্যা ন্যাং। এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শীর্ষ সম্মেলন এখানেই অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে জাতিসংঘের এক গোপন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এখনো অটুট রয়েছে। এছাড়া মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, পরমাণু অস্ত্র ও তার উৎপাদন সক্ষমতায় ছাড় দেবে না উত্তর কোরিয়া।

এসব কিছু সত্ত্বেও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে নিজের সম্পর্কের এক ফুলের ছবি এঁকে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আলোচনায় ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।