Loading...
উত্তরকাল > বিস্তারিত > সমসাময়িক > আসছে রঙিন ভুট্টা

আসছে রঙিন ভুট্টা

পড়তে পারবেন 1 মিনিটে
বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন

রঙিন ভুট্টা উদ্ভাবন করেছেন জিন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী। তিনি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

রোববার দুপুরে কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় উপজেলার সফল কৃষক, সাংবাদিক ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সম্মুখে তাঁর নতুন উদ্ভাবনী ‘রঙিন ভুট্টা’ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী বলেন, ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমাণ খুবই বেশি। এটিকে নিউ নিউট্রেশন বলা যেতে পারে। ভুট্টায় কেরোটিন থাকার কারণে মূলত এর রঙ হলুদ হয়। তাই তিনি রঙিন ভুট্টার ক্লোন উদ্ভাবন করেন। একত্রে সব রঙের ভুট্টাসহ আলাদা আলাদা রঙের ভুট্টা উদ্ভাবন করেন।

শিশুদের কাছে এই ভুট্টা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তাছাড়া শিশুরা এই ভুট্টা খেলে তাদের দেহের পুষ্টির চাহিদা অনায়াসেই পূরণ হবে।

ড. আবেদ চৌধুরীর উদ্ভাবিত রঙিন ভুট্টা সারা বছরে ৪ বার চাষ করা যায়। আবার খরিফ -১ ও খরিফ -২ মৌসুমেও ভুট্টা চাষ করা যায়। হাইব্রিড ভুট্টা একটি পদ্ধতির মাধ্যমে বেরিয়ে আসতে পারে। বেরিয়ে আসা ভুট্টা ফলন হবে হাইব্রিডের সমান। ফলে ভুট্টা চাষে কৃষকদের আরও উৎসাহী করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

ড. আবেদ চৌধুরী কুলাউড়া উপজেলার ভুট্টাচাষীসহ সফল কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে ভুট্টার বীজ বিতরণ করেন। প্রত্যেকটি বাড়ির আশেপাশে এবং পতিত জায়গায় ভুট্টা চাষের আহ্বান জানান তিনি।

বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এর সাথে বিভিন্ন ধরণের গবেষণামূলক কাজ করার অনুমতি পেয়েছেন।   

আবেদ চৌধুরী একজন বাঙালি জিন বিজ্ঞানী, বিজ্ঞানলেখক এবং কবি। তিনি বাংলাদেশ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক হিসেবে ক্যানবেরা শহরে বসবাস করেন। তিনি ১৯৫৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হাজিপুর ইউনিয়নের কানিহাটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 

সবশেষ আপডেট

উত্তরকাল

বিশ্বকে জানুন বাংলায়

All original content on these pages is fingerprinted and certified by Digiprove
%d bloggers like this: