Loading...
উত্তরকাল > Content page > সমসাময়িক > দিনাজপুরে পাওয়া গেলো প্রাণীখেকো উদ্ভিদ

দিনাজপুরে পাওয়া গেলো প্রাণীখেকো উদ্ভিদ

পড়তে পারবেন 1 মিনিটে

বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন

দিনাজপুরে পাওয়া গেলো ‘প্রাণীখেকো’ উদ্ভিদের সন্ধান। দিনাজপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের উন্মুক্ত জমিতে ‘প্রাণীখেকো’ উদ্ভিদের সন্ধান পায় কলেজটির উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ। সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, পাঠ্যপুস্তকে এমন উদ্ভিদ সম্পর্কে পড়লেও বাস্তবে এমন উদ্ভিদের সন্ধান পেয়ে হাতে-কলমে শেখার বিষয়ে আগ্রহী তারা।

গত ১৫ জানুয়ারি দিনাজপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের উত্তরদিকে পরিত্যক্ত ভূমিতে এই উদ্ভিদগুলো শনাক্ত করেন সহকারী অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন। তিনি জানান, এক বীজপত্রী মাংসাশী উদ্ভিদটির নাম ‘সূর্যশিশির’। উদ্ভিদটি পতঙ্গকে অর্থাৎ প্রাণীকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। মাংসাশী উদ্ভিদের মধ্যে এই প্রজাতি সবচেয়ে বড়। ৪-৫ সেন্টিমিটার ব্যাসবিশিষ্ট গোলাকার থ্যালাস সাদৃশ্য উদ্ভিদটির মধ্য থেকে একটি লাল বর্ণের ২-৩ ইঞ্চি লম্বা পুষ্পমঞ্জুরি হয়। ১৫-২০টি তিন থেকে চার স্তরের পাতা সাদৃশ্য মাংসল দেহের চারদিকে পিন আকৃতির কাঁটা থাকে। মাংসল দেহের মধ্যভাগ অনেকটা চামচের মতো ঢালু এবং পাতাগুলোতে মিউসিলেজ সাবস্টেন্স নামক একপ্রকার এনজাইম (আঠা) নিঃসৃত হয়। সুগন্ধ আর উজ্জ্বলতায় আকৃষ্ট হয়ে পোকা বা পতঙ্গ উদ্ভিদটিতে পড়লে এনজাইমের আঠার মাঝে আটকে যায় এবং পতঙ্গ নড়াচড়া করলে মাংসল পাতার চারদিকে পিনগুলো বেকে পোকার শরীরে ফুড়ে গিয়ে পোকাকে ধরে ফেলে। এভাবেই এই উদ্ভিদটি পোকা বা পতঙ্গকে খেয়ে ফেলে।

পিএইচডি গবেষণায় নিয়োজিত দিনাজপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বাবুল হোসেন জানান, মাংসাশী বা পতঙ্গখেকো এই উদ্ভিদটি সংরক্ষণের জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। এজন্য সরকার ও বিজ্ঞান সম্পর্কিত গবেষণা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। এর আগে বাংলাদেশে এই উদ্ভিদের গবেষণা করা হয়নি। এটি রক্ষা করা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়েছে। কীভাবে কপি ও সংরক্ষণ করা যায় এটি ভাবা হচ্ছে এবং টিস্যু নিয়ে কাজ করা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সবশেষ আপডেট

উত্তরকাল

বিশ্বকে জানুন বাংলায়

Follow US

All original content on these pages is fingerprinted and certified by Digiprove
%d bloggers like this: