পড়তে পারবেন < 1 মিনিটে Berger Weather Coat

বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন

উপজেলা নির্বাচন জোটগত ভাবে হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের আসন্ন জনসভাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার ধানমন্ডির একটি হোটেলে আয়োজিত ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সভায় এসব কথা বলেন তিনি। আগামী ১৯ জানুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা দলীয়ভাবে উপজেলা নির্বাচন করবো। নৌকার টিকিটে আমাদের প্রার্থীরা উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেবেন। উপজেলা নির্বাচন জোটগতভাবে হবে না।

কোনও শরিক দলের প্রার্থীকে নৌকা দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের যারা শরিক আছে তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে তারা যেন প্রত্যেকে যার যার মতো করে উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়।

আগামী মার্চ থেকে ধাপে ধাপে উপজেলা নির্বাচন শুরু হচ্ছে। ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা শুরু হবে।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দল ও মহাজোট নামে দুটি জোট বহমান রয়েছে। ১৪ দলীয় জোটে মূলত বাম ও প্রগতিশীল ঘরানার রাজনৈতিক দলগুলো এবং মহাজোটে জাতীয় পার্টি ও বিকল্পধারার নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট শরিক হিসেবে রয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগতভাবে নির্বাচন করে ভূমিধস বিজয় লাভ করে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।

এতে ২৯৯ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের শরিকরা মিলে (জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পাটি, জাসদ, তরিকত ফেডারেশন, জাতীয় পার্টি-জেপি মঞ্জ ) মোট ২৮৮টি আসনে বিজয়ী হয়। এরমধ্যে আওয়ামী লীগ একাই ২৫৭টি আসনে জয়লাভ করে। প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় গাইবান্ধা-৩ আসনে ভোট আগামী ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। জোটগতভাবে জয়লাভ করলেও বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মাত্র ৮টি আসন পাওয়ায় মহাজোট ও ১৪ দলীয় শরিকদের সরকারে না রাখার সিদ্ধান্ত নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ফলে দশম সংসদের মতো একাদশ সংসদেও প্রধান বিরোধী দলের আসনে থাকছে জাতীয় পার্টি। আর আওয়ামী লীগ জোটগতভাবে উপজেলা নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মিত্রদেরও নিজস্ব শক্তিমত্তা দেখাতে হবে উপজেলা নির্বাচনে।